বৃহস্পতিবার সকালে গোয়ালঘরে গিয়ে ষাঁড়টির মাথা, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি পড়ে থাকতে দেখেন খামারির পরিবারের সদস্যরা। বুধবার রাতে কালীগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুমিলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন খামারি রাশেদ মোল্লা।
ঘটনাস্থলটি টঙ্গী-ভৈরব-চট্টগ্রাম রেলপথের আড়িখোলা রেলওয়ে স্টেশনের কাছাকাছি। পরিবারের সদস্যরা জানান, রাশেদ মোল্লার গোয়ালঘরে পাঁচটি গরু ছিল। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে গরুগুলো গোয়ালঘরে রেখে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা গোয়ালঘরে ঢুকে একটি ষাঁড় জবাই করে মাংস নিয়ে যায় বলে তাদের ধারণা। সকালে গোয়ালঘরে গিয়ে বিষয়টি তাদের নজরে আসে।
রাশেদ মোল্লার বোন স্বর্ণা আক্তার বলেন, বসতঘর থেকে গোয়ালঘরটি কিছুটা দূরে হওয়ায় রাতে কোনো শব্দ তারা শুনতে পাননি। সকালে গোয়ালঘরে গিয়ে একটি ষাঁড় না থাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে গোয়ালঘরের ভেতরে ষাঁড়টির মাথা, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি পড়ে থাকতে দেখেন।
খামারি রাশেদ মোল্লা বলেন, তিনি ক্ষুদ্র খামারি। পাঁচটি গরুর মধ্যে ওই ষাঁড়টি ছিল সবচেয়ে বড় ও ভালো। কষ্ট করে পালন করা গরুটি হারিয়ে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
কালীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পেরেছে। পাঁচটি গরুর মধ্যে একটি ষাঁড়ের চামড়া, মাথা ও নাড়িভুঁড়ি রেখে মাংস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।