বাংলাদেশ , শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, জুমার দিন প্রাণবন্ত হয় যেসব আমলে রমজানে বাজারে কোনো সংকট থাকবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী গাজীপুরের কালীগঞ্জে গোয়ালঘরে ঢুকে একটি ষাঁড় জবাই করে মাংস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গাজীপুর কালিয়াকৈরে এলপি গ্যাসে নতুন সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক গাজীপুরের ২৯ নং ওয়ার্ডে জামায়াতে ইসলামীর ডেঙ্গু বিরোধী সচেতনতা সভা ও মশারি বিতরণ জেন্ডার সমতা এগিয়ে নিতে বাউবির উপাচার্যের সঙ্গে MAGENDA দলের সাক্ষাৎ গাজীপুরে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা ৮৬ শতাংশ শিশু বাড়ি বা বিদ্যালয়ে সহিংসতার শিকার হচ্ছে। বাউবিতে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরো গতিশীল ও জবাবদিহিমুলক করতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

গাজীপুর কালিয়াকৈরে এলপি গ্যাসে নতুন সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুর কালিয়াকৈরে উপজেলার হরতকিতলা, আমতলা,মাইওয়ান, চন্দ্রা,পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক সহ বিভিন্ন দোকানে তীব্র এলপিজি সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার গ্যাস। সরবরাহ না থাকায় বসুন্ধরা, ওমেরা,আই গ্যাস দুবাই-বাংলাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিলার পয়েন্টে ঝুলছে তালা।

 

গত এক সপ্তাহ ধরে সংকট চলায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের মধ্যে পোশাক কলকারখানা ও নানা পেশাজীবী শ্রমিকদের রান্না নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও কালিয়াকৈর বাজারে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে শুরু করে। সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

 

স্থানীরা জানান, মাত্র কয়েকদিন আগেই ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যেই এলপিজি গ্যাস পাওয়া যেত এখন দাম বেড়ে ২৫০০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকা বিক্রি করছে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী অতি তাড়াতাড়ি এই অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে, নিম্নবিত্ত সাধারণ শ্রমিকের বেশি দাম দিয়ে এলপিজি গ্যাস কেনার সামর্থ্য নেই তাই প্রশাসনে একা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বাজার মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দাবি, রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার ২ শত থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজি প্রায় হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষ।

 

হরতকিতলা গ্রামের বাসিন্দা কলিম উদ্দিন জানান, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা। বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

 

দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান জানান, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

 

তিনি আরও জানান, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।

Tag :

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : এক ঘন্টা আগে
১২ সময় দৃশ্য

গাজীপুর কালিয়াকৈরে এলপি গ্যাসে নতুন সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার

আপডেটের সময় : এক ঘন্টা আগে

গাজীপুর কালিয়াকৈরে উপজেলার হরতকিতলা, আমতলা,মাইওয়ান, চন্দ্রা,পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক সহ বিভিন্ন দোকানে তীব্র এলপিজি সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার গ্যাস। সরবরাহ না থাকায় বসুন্ধরা, ওমেরা,আই গ্যাস দুবাই-বাংলাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিলার পয়েন্টে ঝুলছে তালা।

 

গত এক সপ্তাহ ধরে সংকট চলায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের মধ্যে পোশাক কলকারখানা ও নানা পেশাজীবী শ্রমিকদের রান্না নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও কালিয়াকৈর বাজারে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে শুরু করে। সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

 

স্থানীরা জানান, মাত্র কয়েকদিন আগেই ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যেই এলপিজি গ্যাস পাওয়া যেত এখন দাম বেড়ে ২৫০০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকা বিক্রি করছে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী অতি তাড়াতাড়ি এই অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে, নিম্নবিত্ত সাধারণ শ্রমিকের বেশি দাম দিয়ে এলপিজি গ্যাস কেনার সামর্থ্য নেই তাই প্রশাসনে একা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বাজার মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দাবি, রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার ২ শত থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজি প্রায় হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষ।

 

হরতকিতলা গ্রামের বাসিন্দা কলিম উদ্দিন জানান, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা। বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

 

দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান জানান, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

 

তিনি আরও জানান, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।