গার্মেন্টস শিল্পে বিশৃঙ্খলা ও ভুয়া ইউনিয়ন তৈরির অভিযোগে কামরুল হাসানের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

বহিষ্কৃত গার্মেন্টস শ্রমিক নেতা কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে পোশাক শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টি, গুজব ছড়ানো, ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন ও জালিয়াতির অভিযোগে মানববন্ধন এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
আজ আয়োজিত এই মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, কামরুল হাসানের কারণে শ্রীপুরের লিথি গ্রুপের ৬টি প্রতিষ্ঠানসহ কালিয়াকৈর, গাজীপুর ও সখীপুরের এমএস টেক্সটাইল, এমএস স্পিনিং মিল, নিভাস টেক্সটাইলসহ বেশ কয়েকটি কারখানা বন্ধের মুখে পড়েছে।
মানববন্ধনে শ্রমিক নেতারা জানান, কামরুল হাসান বিভিন্ন কারখানার বাইয়ারদের কাছে মিথ্যা তথ্য ও চিঠি পাঠিয়ে তৈরি পোশাক খাতের ভাবমূর্তি ও দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করছেন। এছাড়া তিনি শ্রমিকদের গুম হওয়ার গুজব ছড়িয়ে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন।
বক্তারা আরও জানান, রেজিষ্ট্রার অফ ট্রেড ইউনিয়নে জালিয়াতি করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে ভুয়া ইউনিয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ ১৮ মাস তদন্তের পর সিআইডি (CID) রিপোর্টের মাধ্যমে এই জালিয়াতি ও সত্যতা প্রমাণিত হয়। এরপর তিনি প্রায় দেড় মাস জেলহাজতে ছিলেন, কিন্তু জামিনে বের হয়ে আবারও একই ধরণের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ গাজীপুরে মোট ৫টি মামলা রয়েছে বলেও মানববন্ধনে জানানো হয়।
সমাবেশে উপস্থিত শ্রমিক নেতারা জানান, তারা ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন এবং জেলা প্রশাসক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা প্রশাসন, সিআইডি এবং রেজিষ্ট্রার অফ ট্রেড ইউনিয়নের কাছে এই দুর্নীতিবাজ ও জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান, যাতে পোশাক শিল্পে স্বাভাবিক ও সুস্থ পরিবেশ বজায় থাকে।








