বাংলাদেশ , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ব্রিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বারিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদ্যাপন ডুয়েটে রিসার্চ প্রজেক্ট অ্যাওয়ার্ডিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব অপরিসীম: গাকৃবি উপাচার্য গাজীপুর জেলা জামায়াতের নতুন আমির শেফাউল হকের শপথ গ্রহণ গাজীপুর মহানগরের জামায়াতের নতুন আমীর নির্বাচিত হয়েছেন মো: খায়রুল হাসান চট্রগ্রাম সাতকানিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় তিসা বাস, নিহত ২ সীমান্তের ওপার থেকে গার্মেন্টস শিল্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা: প্রধানমন্ত্রী স্বাদে সেরা, দামে কম, লোকসানে মধুপুরের আনারস চাষি

বারিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদ্যাপন

গাজীপুর প্রতিনিধি

যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এ আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালন উদ্যাপিত হয়েছে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাত করে দিয়ে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। ততকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে (পরে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট) বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। সংকটময় অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে তিনি দেশে প্রবর্তন করেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সূচনা করেন উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতি। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে সকালে বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. মন্জুরুল কাদরি পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির শুরু করেন।

 

 

এসময় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সংক্ষিত আলোচনায় বারি’র মহাপরিচালক বলেন- ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমি সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় এই দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য ও সংহতির চেতনাকে আজও অনুপ্রাণিত করে। আসুন, কৃষি গবেষণার মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি অর্জনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।

 

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বারি’র পরচিালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. রেশমা সুলতানা; পরিচালক (কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র) ড. নির্মল কুমার দত্ত; পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. হাবিব মোহাম্মদ নাসের; পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা; পরিচালক (ডাল গবেষণা কেন্দ্র) ড. মো. আব্দুল মান্নান এবং পরিচালক, ড. মোহা. মনিরুজ্জামান। এছাড়াও বার’ির বভিন্নি কন্দ্রে/বভিাগরে বিভিন্ন পর্যায়ের বজ্ঞিানী, কর্মকর্তা,কর্মচারী ও শ্রমিকবৃন্দ উপস্থতি ছলিনে। এসময় জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

 

পরে মহাপরিচালকের নেতৃত্বে সকল বিজ্ঞনী,কর্মর্কতা,কর্মচারী ও শ্রমিকদের অংশগ্রহণে বারি’র প্রধান কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

 

 

পরে জোহর বাদ বারি’র কেন্দ্রীয় মসজিদে জাতির শান্তি, অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত এবং সন্ধ্যায় মন্দির ও গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

 

Tag :

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
৩ সময় দৃশ্য

বারিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদ্যাপন

আপডেটের সময় : ৩ ঘন্টা আগে

যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এ আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালন উদ্যাপিত হয়েছে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাত করে দিয়ে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। ততকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে (পরে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট) বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। সংকটময় অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে তিনি দেশে প্রবর্তন করেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সূচনা করেন উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতি। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে সকালে বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. মন্জুরুল কাদরি পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির শুরু করেন।

 

 

এসময় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সংক্ষিত আলোচনায় বারি’র মহাপরিচালক বলেন- ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমি সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় এই দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য ও সংহতির চেতনাকে আজও অনুপ্রাণিত করে। আসুন, কৃষি গবেষণার মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি অর্জনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।

 

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বারি’র পরচিালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. রেশমা সুলতানা; পরিচালক (কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র) ড. নির্মল কুমার দত্ত; পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. হাবিব মোহাম্মদ নাসের; পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা; পরিচালক (ডাল গবেষণা কেন্দ্র) ড. মো. আব্দুল মান্নান এবং পরিচালক, ড. মোহা. মনিরুজ্জামান। এছাড়াও বার’ির বভিন্নি কন্দ্রে/বভিাগরে বিভিন্ন পর্যায়ের বজ্ঞিানী, কর্মকর্তা,কর্মচারী ও শ্রমিকবৃন্দ উপস্থতি ছলিনে। এসময় জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

 

পরে মহাপরিচালকের নেতৃত্বে সকল বিজ্ঞনী,কর্মর্কতা,কর্মচারী ও শ্রমিকদের অংশগ্রহণে বারি’র প্রধান কার্যালয়ের সামনে থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

 

 

পরে জোহর বাদ বারি’র কেন্দ্রীয় মসজিদে জাতির শান্তি, অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত এবং সন্ধ্যায় মন্দির ও গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।