বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
​কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের মজুরি ১২৫০ টাকা ও চাকরি নিয়মিতকরণের দাবি জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: এসআরবি’র অভিযানে আরও ৪ জন গ্রেপ্তার বিএডিসিসহ বাংলাদেশ কৃষি ফার্মের শ্রমিকদের নিয়মিতকরণ ও মজুরি বাড়ানোর দাবি জাবি জনসংযোগ অফিসের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বাংলাদেশ পাবলিক ইউনিভার্সিটি পাবলিক রিলেশনস্ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত ​গাজীপুরের চার শতাধিক পূজামণ্ডপে জেলা পরিষদের উপহারসামগ্রী বিতরণ বাপাজস নতুন কমিটি গঠন সভাপতি ড. সুমন, সম্পাদক শিবলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন নির্বাচিত সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ​জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: সদর থানার অভিযানে ৩ জনকে গ্রেফতার গাজীপুরে মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, ২ পুলিশ সদস্য আহত পবিত্র খোশরোজ শরীফে ভক্তদের ঢল: মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে বাবা ভাণ্ডারী (ক.)-এর ৯১তম বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন

​কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের মজুরি ১২৫০ টাকা ও চাকরি নিয়মিতকরণের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১,২৫০ টাকা নির্ধারণ এবং বিএডিসিসহ সব কৃষি খামারের শ্রমিকদের চাকরি নিয়মিতকরণসহ ১৩ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন। আজ রোববার (১৮ অক্টোবর, ২০২৬) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

 

​সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আজিজুল হকের সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম ছরোয়ার। এতে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের আওতাভুক্ত বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

 

​লিখিত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক গোলাম ছরোয়ার বলেন, সর্বশেষ ২০২০ সালে কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো হয়েছিল। গত ছয় বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও মূল্যস্ফীতি কয়েক গুণ বাড়লেও শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে জীবনযাত্রার অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে সরকারি কৃষি ফার্ম শ্রমিকরা চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।

 

​তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার ইতিমধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করেছে। অথচ খামার পর্যায়ে রক্ত পানি করা শ্রমিকরা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবিলম্বে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বৃদ্ধিসহ ১৩ দফা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

 

​সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত উল্লেখযোগ্য ১৩ দফা দাবিগুলো হলো:
​দৈনিক মজুরি পুনর্নির্ধারণ: নিয়মিত শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১,২৫০ টাকা এবং অনিয়মিত শ্রমিকদের মজুরি ১,২০০ টাকা করতে হবে।

 

​চাকরি নিয়মিতকরণ: বিএডিসিসহ সকল গবেষণা খামারে নিয়োজিত অনিয়মিত শ্রমিকদের চাকরি অবিলম্বে নিয়মিত করতে হবে।

 

​মজুরি বোর্ড ও প্রভিডেন্ট ফান্ড: কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের জন্য পৃথক মজুরি বোর্ড গঠন, গ্র্যাচুয়েটি সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রভিডেন্ট ফান্ড সুবিধা চালু করতে হবে।

 

​মাতৃত্বকালীন ছুটি: নারী কৃষি শ্রমিকদের জন্য স্ববেতনে ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির বিধান নিশ্চিত করতে হবে।

 

​আইন ও নীতিমালা সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ‘কৃষি ফার্ম শ্রমিক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা’ সংশোধন করে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর করতে হবে।

 

​সংবাদ সম্মেলন থেকে শ্রমিক নেতারা জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের এই সুনির্দিষ্ট ও ন্যায্য ১৩ দফা দাবি পূরণ করা না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

Tag :

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
১৫ সময় দৃশ্য

​কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের মজুরি ১২৫০ টাকা ও চাকরি নিয়মিতকরণের দাবি

আপডেটের সময় : ০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১,২৫০ টাকা নির্ধারণ এবং বিএডিসিসহ সব কৃষি খামারের শ্রমিকদের চাকরি নিয়মিতকরণসহ ১৩ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন। আজ রোববার (১৮ অক্টোবর, ২০২৬) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

 

​সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আজিজুল হকের সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম ছরোয়ার। এতে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের আওতাভুক্ত বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

 

​লিখিত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক গোলাম ছরোয়ার বলেন, সর্বশেষ ২০২০ সালে কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো হয়েছিল। গত ছয় বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও মূল্যস্ফীতি কয়েক গুণ বাড়লেও শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে জীবনযাত্রার অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে সরকারি কৃষি ফার্ম শ্রমিকরা চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।

 

​তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার ইতিমধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করেছে। অথচ খামার পর্যায়ে রক্ত পানি করা শ্রমিকরা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবিলম্বে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বৃদ্ধিসহ ১৩ দফা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

 

​সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত উল্লেখযোগ্য ১৩ দফা দাবিগুলো হলো:
​দৈনিক মজুরি পুনর্নির্ধারণ: নিয়মিত শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১,২৫০ টাকা এবং অনিয়মিত শ্রমিকদের মজুরি ১,২০০ টাকা করতে হবে।

 

​চাকরি নিয়মিতকরণ: বিএডিসিসহ সকল গবেষণা খামারে নিয়োজিত অনিয়মিত শ্রমিকদের চাকরি অবিলম্বে নিয়মিত করতে হবে।

 

​মজুরি বোর্ড ও প্রভিডেন্ট ফান্ড: কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের জন্য পৃথক মজুরি বোর্ড গঠন, গ্র্যাচুয়েটি সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রভিডেন্ট ফান্ড সুবিধা চালু করতে হবে।

 

​মাতৃত্বকালীন ছুটি: নারী কৃষি শ্রমিকদের জন্য স্ববেতনে ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির বিধান নিশ্চিত করতে হবে।

 

​আইন ও নীতিমালা সংশোধন: বাংলাদেশ শ্রম আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ‘কৃষি ফার্ম শ্রমিক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা’ সংশোধন করে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর করতে হবে।

 

​সংবাদ সম্মেলন থেকে শ্রমিক নেতারা জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের এই সুনির্দিষ্ট ও ন্যায্য ১৩ দফা দাবি পূরণ করা না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।